কৃষি প্রযুক্তি ভাণ্ডার
প্রযুক্তির বিবরণ
প্রযুক্তির নাম :জৈব বালাই নাশকের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পোকা ও রোগ দমন করে নিরাপদ ও মানসম্যত শিম উৎপাদন।
বিস্তারিত বিবরণ :
অতিমাত্রায় রাসায়নিক বালাইনাশক প্রয়োগের ফলে পোকা মাকড় ও রোগবালাই এর বালাইনাশক প্রতিরোধিতা বেড়ে যাচ্ছে এবং উপকারি পোকা মাকড় ও জীবানু বিলীন হয়ে যাচ্ছে। শিমের পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনের জন্য পরিবেশবান্ধব জৈববালাইনাশক ভিত্তিক আইপিএম ও আইডিএম প্যাকেজ উদ্ভাবন যার মাধ্যমে সফলভাবে পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন করা সম্ভব। গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল এবং কৃষকের মাঠে তা প্রয়োগ করে দেখা গেছে যে, বোর্দো মিশ্রন (তুঁতেঃ চুন = ১:২) @ ৫ গ্রাম/কেজি বীজ) দিয়ে বীজ শোধন, প্রতি পিটে ১০০ গ্রাম ট্রাইকো-কম্পোষ্টসার প্রয়োগ, আক্রমনের প্রাথমিক পর্যায়ে ৩-৫ দিন অন্তর হাতবাছাই, বিঘা প্রতি ১৫টি সেক্স ফেরোমন ফাঁদ, বিঘা প্রতি ২৫-৩০টি হলুদ আঁঠালো ফাঁদ, বায়োপেস্টিসাইড (ফাইটোম্যাক্স @ ১.২মিলি/লি.), ট্রাইকোম্যাক্স/ট্রাইকোডার্মা দ্রবন @ ১৫মিলি/লি. এবং বিটি + এবামেকটিন (অ্যান্টারিও/ বিটিম্যাক @ ২গ্রাম/লি. হারে) সমন্বয়ে আইপিএম/আইডিএম প্যাকেজ ব্যবহার করে সার্থকভাবে শিমের পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন করে গুনগতমানসম্পন্ন ও নিরাপদ শিম উৎপাদন করা যায়।
এই প্রযুক্তি ব্যবহারে খরচ ও লাভের পরিমান
• গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা প্যাকেজ পদ্ধতিতে হেক্টর প্রতি মৌসুমভেদে ১৮-২১ হাজার টাকা খরচ হয় এবং রাসায়নিক বালাইনাশকের তুলনায় মোটের উপর ২ লাখ টাকার বেশী লাভ হয়
• এ পদ্ধতির মাধ্যমে পোকা-মাকড় এবং রোগ-বালাই এর আক্রমন প্রায় ৮০% রোধ করা যায়
• উৎপাদন খরচ ২৫-৩০% কমে যায়
• ফলন ২০-৩০% বাড়িয়ে দেয়
• কৃষকের আয় বেশী হয়
• সর্বোপরি গুনগতমান সম্পন্ন ও নিরাপদ শিম উৎপাদন করা যায় এবং
• স্বাস্থ্য ঝুকি ও পরিবেশ দূষণ কমে এবং জীব বৈচিত্রের ভারসাম্য রক্ষা হয়
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।
বিস্তারিত বিবরণ :
অতিমাত্রায় রাসায়নিক বালাইনাশক প্রয়োগের ফলে পোকা মাকড় ও রোগবালাই এর বালাইনাশক প্রতিরোধিতা বেড়ে যাচ্ছে এবং উপকারি পোকা মাকড় ও জীবানু বিলীন হয়ে যাচ্ছে। শিমের পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনের জন্য পরিবেশবান্ধব জৈববালাইনাশক ভিত্তিক আইপিএম ও আইডিএম প্যাকেজ উদ্ভাবন যার মাধ্যমে সফলভাবে পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন করা সম্ভব। গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল এবং কৃষকের মাঠে তা প্রয়োগ করে দেখা গেছে যে, বোর্দো মিশ্রন (তুঁতেঃ চুন = ১:২) @ ৫ গ্রাম/কেজি বীজ) দিয়ে বীজ শোধন, প্রতি পিটে ১০০ গ্রাম ট্রাইকো-কম্পোষ্টসার প্রয়োগ, আক্রমনের প্রাথমিক পর্যায়ে ৩-৫ দিন অন্তর হাতবাছাই, বিঘা প্রতি ১৫টি সেক্স ফেরোমন ফাঁদ, বিঘা প্রতি ২৫-৩০টি হলুদ আঁঠালো ফাঁদ, বায়োপেস্টিসাইড (ফাইটোম্যাক্স @ ১.২মিলি/লি.), ট্রাইকোম্যাক্স/ট্রাইকোডার্মা দ্রবন @ ১৫মিলি/লি. এবং বিটি + এবামেকটিন (অ্যান্টারিও/ বিটিম্যাক @ ২গ্রাম/লি. হারে) সমন্বয়ে আইপিএম/আইডিএম প্যাকেজ ব্যবহার করে সার্থকভাবে শিমের পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন করে গুনগতমানসম্পন্ন ও নিরাপদ শিম উৎপাদন করা যায়।
এই প্রযুক্তি ব্যবহারে খরচ ও লাভের পরিমান
• গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা প্যাকেজ পদ্ধতিতে হেক্টর প্রতি মৌসুমভেদে ১৮-২১ হাজার টাকা খরচ হয় এবং রাসায়নিক বালাইনাশকের তুলনায় মোটের উপর ২ লাখ টাকার বেশী লাভ হয়
• এ পদ্ধতির মাধ্যমে পোকা-মাকড় এবং রোগ-বালাই এর আক্রমন প্রায় ৮০% রোধ করা যায়
• উৎপাদন খরচ ২৫-৩০% কমে যায়
• ফলন ২০-৩০% বাড়িয়ে দেয়
• কৃষকের আয় বেশী হয়
• সর্বোপরি গুনগতমান সম্পন্ন ও নিরাপদ শিম উৎপাদন করা যায় এবং
• স্বাস্থ্য ঝুকি ও পরিবেশ দূষণ কমে এবং জীব বৈচিত্রের ভারসাম্য রক্ষা হয়
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।